• আজ- লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
শ্যামনগর থানার এএসআই মাসুদকে টাকা দিলেই পক্ষে নেওয়া যায় তদন্ত প্রতিবেদন  সুন্দরবনে ডন বাহিনীর ত্রাসের অবসান, বাহিনী প্রধানসহ ১২জন ডাকাতের আত্মসমর্পণ কোষ্টগার্ডের কাছে নতি স্বীকার,আত্মসমর্পণের পথে ডন বাহিনী শ্যামনগর সীমান্তে র‌্যাবের অভিযান, ৬০ বোতল কোরেক্সসহ ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ আটক ১ জাতীয় স্বর্ণ পদক লাভ করায় এ্যাকুয়াম্যাক্স-এর এমডি শহীদুল ইসলাম জুয়েলকে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা শ্যামনগর থানার নবাগত ওসির সাথে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় লিডার্স এর স্থানীয় অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‎ শ্যামনগরে কুড়িয়ে পাওয়া শাকের মেলায় অচাষকৃত উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্যোগ শ্যামনগরে কৃষকের পাওয়ার ট্রিলার পুকুরে ফেলে ক্ষতি সাধন শ্যামনগরের কৈখালী ভূমি অফিসের জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে দাপ্তরিক কার্যক্রম

সুদের টাকায় কোটিপতি আশিক পর্বঃ১

নিজস্ব প্রতিনিধি / ১০৭৮ বার ভিজিট
আপডেটঃ মঙ্গলবার, ৮ আগস্ট, ২০২৩

শ্যামনগরে সুদ কারবারি আশিকের অত্যাচারে অতিষ্ঠ এলাকাবাসী

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগরে সমাজ সেবা বা এনজিও ব্যুরো রেজিস্ট্রেশন ছাড়া নিজের মনগড়া আইনে কোটি কোটি টাকার সুদের কারবারের অভিযোগ উঠেছে আশিকুর রহমান আশিকের বিরুদ্ধে। আশিক উপজেলার আবাদ চন্ডিপুর (চুনা) গ্রামের মোহাম্মদ আলী সরদারের ছেলে। সে দোকানদারি পেশার আড়ালে তার এই অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে জনান ভুক্তভোগীরা। উপজেলার মুন্সিগঞ্জ ও বুড়িগোয়ালিনীসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের বিভিন্ন জায়গায় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চড়ার সুদের কারবার করে আশিক। সম্প্রতি অনুসন্ধানে জানা গেছে,সাধারণ মানুষকে জিম্মি করে আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছে একশ্রেণীর অসাধু সুদ ব্যবসায়ী তার মধ্যে আশিক অন্যতম। গরিব, অসহায় ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষের অভাব-অনটনের সুযোগ নিয়ে নাম মাত্র টাকা দিয়ে বিনিময়ে হাতিয়ে নিচ্ছে তাদের সর্বস্ব। অন্য সুদখোরদের থেকে আশিকের সুদের কারবার সম্পন্ন আলাদা। টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে স্বর্ণালংকার জামানত হিসেবে রাখলে কোন সমস্যা নেই। যদি স্বর্ণালংকার না থাকে তাহলে বিশ্বস্ততা বা মর্টগেজ হিসেবে নেয়া হয় তারিখ ও টাকার অংক বিহীন ফাঁকা চেকের পাতা, সাথে থাকে ডেমি ও স্ট্যাম্প। টাকার পরিমাণ এর উপর নির্ধারণ করা হয় কয়টি চেকও স্ট্যাম্প নেয়া হবে। টাকা নেওয়ার পর নির্দিষ্ট তারিখে চাহিদা মত টাকা দিতে না পারলে শুরু হয় কথার অত্যাচার। তাতেও কাজ না হলে পেটুয়াবাহিনী দিয়ে হুমকি। এমন অত্যাচারের শিকার হয়েছে অসংখ্য মানুষ। মামলা, হামলা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে তালা মারাসহ বিভিন্ন ভাবে জিম্মি করে টাকা আদায় করে আশিক। তার এই অত্যাচার থেকে মুক্তি পেতে চায় সাধারণ মানুষ। এবিষয়ে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আবুল কালাম আজাদ বলেন, অভিযোগ পেলে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তারপরও বিষয়টা আমি দেখছি ————–চলবে।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর