• আজ- লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
শ্যামনগর থানার এএসআই মাসুদকে টাকা দিলেই পক্ষে নেওয়া যায় তদন্ত প্রতিবেদন  সুন্দরবনে ডন বাহিনীর ত্রাসের অবসান, বাহিনী প্রধানসহ ১২জন ডাকাতের আত্মসমর্পণ কোষ্টগার্ডের কাছে নতি স্বীকার,আত্মসমর্পণের পথে ডন বাহিনী শ্যামনগর সীমান্তে র‌্যাবের অভিযান, ৬০ বোতল কোরেক্সসহ ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ আটক ১ জাতীয় স্বর্ণ পদক লাভ করায় এ্যাকুয়াম্যাক্স-এর এমডি শহীদুল ইসলাম জুয়েলকে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা শ্যামনগর থানার নবাগত ওসির সাথে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় লিডার্স এর স্থানীয় অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‎ শ্যামনগরে কুড়িয়ে পাওয়া শাকের মেলায় অচাষকৃত উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্যোগ শ্যামনগরে কৃষকের পাওয়ার ট্রিলার পুকুরে ফেলে ক্ষতি সাধন শ্যামনগরের কৈখালী ভূমি অফিসের জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে দাপ্তরিক কার্যক্রম

শ্যামনগরের গাবুরাতে আবারো নদী ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী 

রিপোর্টারঃ / ৯৮৮ বার ভিজিট
আপডেটঃ শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩

শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গাবুরা ইউনিয়নে আবারোও নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার (২ আগস্ট) সকাল থেকে খোলপেটুয়া নদী সংলগ্ন গাবুরা ইউনিয়নের ৯নং সোরা গ্রামে চর এলাকায় এই ভাঙন দেখা দেয়। পূর্ণিমার জোয়ারে ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় ৫০০ মিটার মত এলাকা জুড়ে নদীর বেড়িবাঁধের চরে ভয়াবহ ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে।গাবুরার গ্রামের মনিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের যে বেড়িবাঁধ তা সব সময় ভয়ে থাকতে হয়। কখন নদী ভেঙে আমরা ভেসে যাই। সেই ভয়ে কবে এই আতঙ্ক থেকে মুক্তি পাবো।স্থানীয় ইউপি সদস্য মঞ্জুর হোসেন জানান, সোরা গ্রামের হাসান মালীর বাড়ি সংলগ্ন প্রায় ৫০০ মিটার এলাকায় ভেঙে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। বড় বড় মাটির স্তূপ ও গাছপালা নদীতে চলে যাচ্ছে। এতে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি ।গাবুরা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান জি.এম মাসুদুল আলম জানান, ওই এলাকায় খোলপেটুয়া বেড়িবাঁধটি চর থেকেও খানিকটা দূরে। চর ভেঙে বেড়িবাঁধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া বাঁধটি খুবই জরাজীর্ণ অবস্থা। ভাঙন এভাবে চলতে থাকলে স্বল্প সময়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে এলাকাটি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। এতে করে গাবুরার বহু মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। স্থানীয়রা বিভিন্নভাবে বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনই পদক্ষেন না নিলে যে কোন সময় ভয়াবহ বিপদ হতে পারে।সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড পোল্ডার-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সালাউদ্দিন জানান, সোরা গ্রামের পাশে দৃষ্টিনন্দন এলাকায় কিছুদিন আগে ভাঙনের সময় বেশকিছু জিওব্যাগ পাঠানো হয়েছিল। সেগুলো বেশির ভাগ অব্যবহৃত থাকায় তা দিয়ে ভাঙন রোধের কাজ চলছে। এ ছাড়া নতুন করে আরও কিছু জিওব্যাগ পাঠানো হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে কাজ করছে।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর