• আজ- লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
শ্যামনগর থানার এএসআই মাসুদকে টাকা দিলেই পক্ষে নেওয়া যায় তদন্ত প্রতিবেদন  সুন্দরবনে ডন বাহিনীর ত্রাসের অবসান, বাহিনী প্রধানসহ ১২জন ডাকাতের আত্মসমর্পণ কোষ্টগার্ডের কাছে নতি স্বীকার,আত্মসমর্পণের পথে ডন বাহিনী শ্যামনগর সীমান্তে র‌্যাবের অভিযান, ৬০ বোতল কোরেক্সসহ ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ আটক ১ জাতীয় স্বর্ণ পদক লাভ করায় এ্যাকুয়াম্যাক্স-এর এমডি শহীদুল ইসলাম জুয়েলকে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা শ্যামনগর থানার নবাগত ওসির সাথে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় লিডার্স এর স্থানীয় অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‎ শ্যামনগরে কুড়িয়ে পাওয়া শাকের মেলায় অচাষকৃত উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্যোগ শ্যামনগরে কৃষকের পাওয়ার ট্রিলার পুকুরে ফেলে ক্ষতি সাধন শ্যামনগরের কৈখালী ভূমি অফিসের জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে দাপ্তরিক কার্যক্রম

সুন্দরবন উপকূলের ৩১ বাঘ বিধবা পরিবার পেল ২টি করে ছাগল

রিপোর্টারঃ / ১৯১ বার ভিজিট
আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ১৩ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে স্বামী হারিয়ে যারা দীর্ঘদিন ধরে সংকটে দিন কাটাচ্ছেন, সেই ৩১টি বাঘ বিধবা পরিবারের পাশে দাঁড়াল স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ইয়ুথ ফর বাংলাদেশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার গাবুরা ইউনিয়নে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে ৩১ পরিবারের প্রত্যেককে দুটি করে ছাগল তুলে দেওয়া হয়। উপকারভোগী পরিবারগুলো সাতক্ষীরার গাবুরা ও বুড়িগোয়ালিনী ইউনিয়ন এবং খুলনার কয়রা উপজেলার। আয়োজকরা বলছেন, ছাগল পালনের মাধ্যমে এসব পরিবারের আয় বাড়ানো এবং তাদের স্বাবলম্বী করাই এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য।

গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম মাসুদুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জনপ্রিয় লেখক ও সিনিয়র সাংবাদিক মহাসিন উল হাকিম। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন, গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য ফরিদা খাতুন, জিএম মুনজুর হোসেন এবং ইয়ুথ ফর বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আরিফুর রহমান।

সভাপতির বক্তব্যে জিএম মাসুদুল আলম বলেন, সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলের বাঘ বিধবা পরিবারগুলো দীর্ঘদিন ধরে নানা সংকটের মধ্যে বসবাস করছে। তাদের হাতে ছাগল তুলে দেওয়ার এই উদ্যোগ অত্যন্ত মানবিক ও সময়োপযোগী। ছাগল পালন করে তারা নিজেরাই আয় করতে পারবেন।

বিশেষ অতিথি মহাসিন উল হাকিম বলেন, সুন্দরবন ও উপকূলের মানুষের জীবন সংগ্রাম খুবই কঠিন। বাঘের আক্রমণে স্বামী হারানো নারীরা শুধু স্বামী হারাননি, হারিয়েছেন পরিবারের প্রধান উপার্জনক্ষম ব্যক্তিকে। তাঁদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের সামাজিক দায়িত্ব।

ইয়ুথ ফর বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা আরিফুর রহমান বলেন, বাঘ বিধবা পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই উদ্যোগ প্রয়োজন। ছাগল বিতরণের মাধ্যমে আমরা তাদের হাতে এমন একটি সম্পদ তুলে দিতে চাই, যেটি থেকে ভবিষ্যতে তারা আয় করতে পারবেন। পর্যায়ক্রমে আরও অসহায় পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা থাকবে।

ছাগল পেয়ে উপকারভোগী নারীরা সংগঠনটির প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তাদের ভাষ্য, এই সহায়তা সংসারে বাড়তি আয়ের সুযোগ তৈরি করবে এবং সন্তানদের লেখাপড়া ও দৈনন্দিন খরচ মেটাতে সহায়ক হবে। আয়োজকরা জানান, সুন্দরবনসংলগ্ন উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ ও অসহায় পরিবারগুলোর জীবনমান উন্নয়নে ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর