• আজ- শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ১২:০২ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে কোষ্টগার্ডের অভিযানে ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ঔষধ জব্দ  খোলপেটুয়া নদীতে বিজিবির অভিযানে একটি বালুভর্তি বলগেট জব্দ, আটক-৫ সুন্দরবনে আবারো শান্তির হাতছানি, নতুন আত্মসমর্পণকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছে বনজীবীরা সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে কঠোর নজরদারি বিজিবির, বিএসএফকে কঠোর হুঁশিয়ারি  শ্যামনগরে কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ জোনাব বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক শ্যামনগরে সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে জমকালো ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে পাংসের খাল পুনঃখনন কাজে বাধা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহত শ্যামনগরে বখাটের অত্যাচারে নিরাপত্তাহীনতায় দু’ই হিন্দু পরিবার, থানায় অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

শ্যামনগরের গাবুরাতে আবারো নদী ভাঙন, আতঙ্কে এলাকাবাসী 

রিপোর্টারঃ / ৯৬০ বার ভিজিট
আপডেটঃ শনিবার, ৫ আগস্ট, ২০২৩

শ্যামনগর সাতক্ষীরা প্রতিনিধি:সাতক্ষীরার শ্যামনগরে গাবুরা ইউনিয়নে আবারোও নদী ভাঙন দেখা দিয়েছে। বুধবার (২ আগস্ট) সকাল থেকে খোলপেটুয়া নদী সংলগ্ন গাবুরা ইউনিয়নের ৯নং সোরা গ্রামে চর এলাকায় এই ভাঙন দেখা দেয়। পূর্ণিমার জোয়ারে ও বায়ুচাপ পার্থক্যের আধিক্যের প্রভাবে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ ইউনিয়ন গাবুরায় ৫০০ মিটার মত এলাকা জুড়ে নদীর বেড়িবাঁধের চরে ভয়াবহ ভাঙন সৃষ্টি হয়েছে।গাবুরার গ্রামের মনিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের যে বেড়িবাঁধ তা সব সময় ভয়ে থাকতে হয়। কখন নদী ভেঙে আমরা ভেসে যাই। সেই ভয়ে কবে এই আতঙ্ক থেকে মুক্তি পাবো।স্থানীয় ইউপি সদস্য মঞ্জুর হোসেন জানান, সোরা গ্রামের হাসান মালীর বাড়ি সংলগ্ন প্রায় ৫০০ মিটার এলাকায় ভেঙে নদী ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। বড় বড় মাটির স্তূপ ও গাছপালা নদীতে চলে যাচ্ছে। এতে আমরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ছি ।গাবুরা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান জি.এম মাসুদুল আলম জানান, ওই এলাকায় খোলপেটুয়া বেড়িবাঁধটি চর থেকেও খানিকটা দূরে। চর ভেঙে বেড়িবাঁধের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ ছাড়া বাঁধটি খুবই জরাজীর্ণ অবস্থা। ভাঙন এভাবে চলতে থাকলে স্বল্প সময়ে বেড়িবাঁধ ভেঙে এলাকাটি পানিতে তলিয়ে যেতে পারে। এতে করে গাবুরার বহু মানুষ চরম ভোগান্তিতে পড়বে। স্থানীয়রা বিভিন্নভাবে বাঁধটি মেরামতের চেষ্টা করছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড এখনই পদক্ষেন না নিলে যে কোন সময় ভয়াবহ বিপদ হতে পারে।সাতক্ষীরা পানি উন্নয়ন বোর্ড পোল্ডার-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সালাউদ্দিন জানান, সোরা গ্রামের পাশে দৃষ্টিনন্দন এলাকায় কিছুদিন আগে ভাঙনের সময় বেশকিছু জিওব্যাগ পাঠানো হয়েছিল। সেগুলো বেশির ভাগ অব্যবহৃত থাকায় তা দিয়ে ভাঙন রোধের কাজ চলছে। এ ছাড়া নতুন করে আরও কিছু জিওব্যাগ পাঠানো হবে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও পানি উন্নয়ন বোর্ড ভাঙন রোধে কাজ করছে।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর