• আজ- শনিবার, ২৭ জুন ২০২৬, ০৫:৫০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে কোষ্টগার্ডের অভিযানে ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ঔষধ জব্দ  খোলপেটুয়া নদীতে বিজিবির অভিযানে একটি বালুভর্তি বলগেট জব্দ, আটক-৫ সুন্দরবনে আবারো শান্তির হাতছানি, নতুন আত্মসমর্পণকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছে বনজীবীরা সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে কঠোর নজরদারি বিজিবির, বিএসএফকে কঠোর হুঁশিয়ারি  শ্যামনগরে কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ জোনাব বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক শ্যামনগরে সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে জমকালো ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে পাংসের খাল পুনঃখনন কাজে বাধা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহত শ্যামনগরে বখাটের অত্যাচারে নিরাপত্তাহীনতায় দু’ই হিন্দু পরিবার, থানায় অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

টেকসই বেড়িবাঁধের দাবিতে তরুণদের ক্লাইমেট লংমার্চ অনুষ্ঠিত। 

রিপোর্টারঃ / ৯০২ বার ভিজিট
আপডেটঃ মঙ্গলবার, ১৫ নভেম্বর, ২০২২

বিশেষ প্রতিনিধি: সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় সাতক্ষীরা জেলায় ৮শ’ কিলোমিটার ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবিতে লংমার্চ অনুষ্ঠিত হয়েছে।মঙ্গলবার(১৫ নভেম্বর) বিকাল ৪টায় যুব সংগঠন শরুব ইয়ুথ টিমের এর উদ্যোগে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।শতাধিক তরুণের উপস্থিতিতে হাতে নানা ধরনের প্লাকার্ড সংবলিত ব্যানার, ফেস্টুন নিয়ে তারা টেকসই বেড়িবাঁধ দাবি করে।মানববন্ধনে এহসানুল মাহবুব তানভীর এর সভাপতিত্বে ও ফুহাদ মাহমুদ এর সঞ্চালনায় প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শরুব ইয়ুথ টিমের পরিচালক এস এম জান্নাতুল (নাঈম)বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজ সেবক নূরউদ্দীন সরদার।মানববন্ধনে উপকূলীয় তরুণ হাসিবুল হাসান বলেন, সাতক্ষীরা সুন্দরবন সংলগ্ন উপকূলীয় জেলা। জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে নদী তলদেশ উচ্চ হচ্ছে। ফলে পানির উচ্চতা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। যার কারণে নদী রক্ষা বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে নোনা পানিতে ডুবে যাচ্ছে উপকূলীয় এলাকার মানুষ। সাতক্ষীরার উপকূলীয় এলাকায় ৬০এর দশকে নির্মিত ভেড়িবাঁধ রয়েছে ৮শ’ কিলোমিটার। ৬০ দশকের পরে আর বেড়িবাঁধ সেভাবে মেরামত করা হয়নি। এবছর বেশির ভাগ বেড়িবাঁধ মেরামত করা হয়েছে। তারপরও ৬২ কিলোমিটার বেড়িবাঁধে জরাজীর্ণ অবস্থা। আবার এই জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধে ৩৫টি পয়েন্ট খুবই ঝুঁকিপূর্ণ।বুড়িগোয়ালিনি ইউনিয়নের তরুণ রাসেল,সবুজ,বিল্লাল, মিকাইল জানান, উপকূল এলাকার মানুষ ভাল নেই। আইলা, সিডর, আম্পানের মত প্রাকৃতিক দূর্যোগ মোকাবেলা করতে হয়েছে এই জরাজীর্ণ বেড়িবাঁধ দিয়ে। নোনা পানির কারণে তাদের এলাকায় হয় না কোন ফসল। নেই কোন কর্মসংস্থান। এর মধ্যে প্রতিবছর বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে নোনা পানি তাদের সব শেষ করে দিয়ে যাচ্ছে। কিছুদিন আগে তাদের এলাকার ভেড়িবাঁধ ভেঙ্গে যায়। এই বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে ভেসে গেছে চিংড়ি ঘের, পুকুর, জমির ফসল। ভেঙ্গে গেছে কাঁচা ঘরবাড়ি। এখনও তাদের পুকুরে নোনা পানি। ঘরে খাবার নেই। তারা সর্বস্ব হারিয়ে সরকারের দেওয়া ত্রাণ খেয়ে বেঁচে থাকে। তারা আর ত্রাণ চায় না, তারা চায় টেকসই বেড়িবাঁধ।

 

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর