• আজ- বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ০২:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে কোষ্টগার্ডের অভিযানে ফেন্সিডিল ও ভারতীয় ঔষধ জব্দ  খোলপেটুয়া নদীতে বিজিবির অভিযানে একটি বালুভর্তি বলগেট জব্দ, আটক-৫ সুন্দরবনে আবারো শান্তির হাতছানি, নতুন আত্মসমর্পণকে ঘিরে আশায় বুক বেঁধেছে বনজীবীরা সীমান্তে পুশ ইন ঠেকাতে কঠোর নজরদারি বিজিবির, বিএসএফকে কঠোর হুঁশিয়ারি  শ্যামনগরে কোস্টগার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ জোনাব বাহিনীর তিন সক্রিয় সদস্যকে আটক শ্যামনগরে সাবেক ফুটবলারদের নিয়ে জমকালো ফুটবল টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত  শ্যামনগরে পাংসের খাল পুনঃখনন কাজে বাধা ও অপপ্রচারের প্রতিবাদে কৃষকদের মানববন্ধন সুন্দরবনে বাঘের আক্রমণে মৌয়াল আহত শ্যামনগরে বখাটের অত্যাচারে নিরাপত্তাহীনতায় দু’ই হিন্দু পরিবার, থানায় অভিযোগ প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ

দুর্নীতি ও অনিয়ম ঢাকতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা জিডি করলেন ফরেষ্ট রেঞ্জার ফজলুল হক

রিপোর্টারঃ / ৯৩৪ বার ভিজিট
আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা ফজলুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, ঘুষবাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার, সুন্দরবনের বিষ দিয়ে মাছ শিকার,হরিণ শিকারি ও কাঠ-পাচার সিন্ডিকেটকে সহায়তার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দেশের নন্দিত জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে এসব অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি আড়াল করতে তিনি দ্রুত নাটকীয়ভাবে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ১লা ডিসেম্বর সোমবার শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এই জিডিতে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামও যুক্ত করা হয়েছে। যেটা সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৩ সালে কদমতলা স্টেশনে দায়িত্ব পালনকালে ফজলুল হকের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অবৈধ লেনদেন, বিশেষ করে কাঠ ও বন্যপ্রাণী জব্দ বাণিজ্যে ঘুষ গ্রহণের মতো গুরুতর অভিযোগ একাধিক সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে দাখিল করা হয়। অভিযোগকারী মুন্সিগঞ্জ হরিনগর দক্ষিণ কদম তলা গ্রামের মো: ফজলুল জানান, এসব তথ্যের বেশিরভাগই প্রমাণসহ জমা দেওয়া হয়। এসব অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা উঠে আসার পরেই তিনি সাংবাদিকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে মূল দুর্নীতির খবর চাপা দিতে তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘটনাবিবরণ দিয়ে জিডি করেন, যাতে সত্য প্রকাশকারীদের প্রতি ভয় সৃষ্টি ও দুর্নীতির তথ্য যাচাই কাজ ব্যাহত হয়।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, একজন সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার এমন পদক্ষেপ সরাসরি গণমাধ্যমকে দমন করার নোংরা কৌশল। সাংবাদিকদের নীরব করতেই যেন এই জিডি করা হয়েছে।
সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিদ্বেষে সংবাদ করি না। নথিভুক্ত অভিযোগ ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।
সাংবাদিকদের অভিযোগ সত্য সংবাদ লেখার অপরাধেই তাদের হয়রানি করতে এই জিডির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।
আমাদের নামে জিডি করে সত্যকে দমন করা যাবে না।
সাংবাদিকদের দাবি জিডির পেছনের উদ্দেশ্য তদন্ত করতে হবে ও সরকারি কর্মকর্তার অপব্যবহার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর