• আজ- বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরের নির্বিচারে গাছ কাটার প্রতিবাদে মানববন্ধন শ্যামনগরে সুদের টাকা না পেয়ে গরু লুট, থানায় অভিযোগ বনবিভাগের অভিযানে দেশীয় আগ্নেয়াস্ত্র ও তাজা কার্তুজ উদ্ধার বনদস্যুর গুলিতে আহত কাঁকড়া আহরনকারী, আতঙ্কিত বনজীবীরা শ্যামনগরের মুন্সীগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস-২০২৬ উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র‍্যালি শ্যামনগরে পাওনা টাকা চাওয়ায় পাওনাদারকে রড দিয়ে মারপিট করলেন বিএনপি নেতার ছেলে কোষ্টগার্ডের অভিযানে করিম-শরীফ বাহিনীর সক্রিয় সদস্য আটক অস্ত্র জব্দ কোস্টগার্ডের অভিযানে দয়াল বাহিনীর সদস্য অস্ত্রসহ আটক শ্যামনগরে স্থানীয় অভিযোজন মেলা ও জলবায়ু সংলাপ   সুন্দরবন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যকে সংবর্ধনা 

দুর্নীতি ও অনিয়ম ঢাকতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা জিডি করলেন ফরেষ্ট রেঞ্জার ফজলুল হক

রিপোর্টারঃ / ৯০৯ বার ভিজিট
আপডেটঃ বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী রেঞ্জ কর্মকর্তা ফজলুল হকের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিনের দুর্নীতি, ঘুষবাণিজ্য, ক্ষমতার অপব্যবহার, সুন্দরবনের বিষ দিয়ে মাছ শিকার,হরিণ শিকারি ও কাঠ-পাচার সিন্ডিকেটকে সহায়তার অভিযোগ নতুন করে আলোচনায় এসেছে। দেশের নন্দিত জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে এসব অভিযোগ প্রকাশিত হওয়ার পর বিষয়টি আড়াল করতে তিনি দ্রুত নাটকীয়ভাবে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ১লা ডিসেম্বর সোমবার শ্যামনগর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন।
এই জিডিতে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নামও যুক্ত করা হয়েছে। যেটা সাংবাদিক মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।

তথ্য অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৩ সালে কদমতলা স্টেশনে দায়িত্ব পালনকালে ফজলুল হকের বিরুদ্ধে ব্যাপক দুর্নীতি, অবৈধ লেনদেন, বিশেষ করে কাঠ ও বন্যপ্রাণী জব্দ বাণিজ্যে ঘুষ গ্রহণের মতো গুরুতর অভিযোগ একাধিক সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরে দাখিল করা হয়। অভিযোগকারী মুন্সিগঞ্জ হরিনগর দক্ষিণ কদম তলা গ্রামের মো: ফজলুল জানান, এসব তথ্যের বেশিরভাগই প্রমাণসহ জমা দেওয়া হয়। এসব অনিয়মের প্রাথমিক সত্যতা উঠে আসার পরেই তিনি সাংবাদিকদের ভয় দেখানোর চেষ্টা শুরু করেন। অভিযোগ রয়েছে মূল দুর্নীতির খবর চাপা দিতে তিনি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ঘটনাবিবরণ দিয়ে জিডি করেন, যাতে সত্য প্রকাশকারীদের প্রতি ভয় সৃষ্টি ও দুর্নীতির তথ্য যাচাই কাজ ব্যাহত হয়।
স্থানীয় সচেতন মহল জানান, একজন সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার এমন পদক্ষেপ সরাসরি গণমাধ্যমকে দমন করার নোংরা কৌশল। সাংবাদিকদের নীরব করতেই যেন এই জিডি করা হয়েছে।
সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক বলেন, আমরা কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত বিদ্বেষে সংবাদ করি না। নথিভুক্ত অভিযোগ ও প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতেই রিপোর্ট প্রকাশ করা হয়।
সাংবাদিকদের অভিযোগ সত্য সংবাদ লেখার অপরাধেই তাদের হয়রানি করতে এই জিডির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে।
আমাদের নামে জিডি করে সত্যকে দমন করা যাবে না।
সাংবাদিকদের দাবি জিডির পেছনের উদ্দেশ্য তদন্ত করতে হবে ও সরকারি কর্মকর্তার অপব্যবহার বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর