• আজ- রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ০২:৩৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগরে কলেজ শিক্ষকের বিরুদ্ধে হিন্দু ছাত্রীকে ধর্মান্তরিত করে বিয়ের শ্যামনগরে পল্লী চিকিৎসককের ভুল অপারেশনে রোগীর মৃত্যু সরকারের বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ষড়যন্ত্র মেনে নেওয়া হবে না: ড. মনিরুজ্জামান জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে শ্যামনগরে জামায়াতের গণমিছিল ও বিক্ষোভ সমাবেশ খোলপেটুয়া নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা ‎কলবাড়ী-বুড়িগোয়ালিনী প্রিমিয়ার লীগের জাঁকজমকপূর্ণ উদ্বোধন শ্যামনগরে মৎস্য অফিসের অভিযান, পুড়িয়ে ধ্বংস ৩২টি চায়না দুয়ারি জাল শ্যামনগরে ৩২ কোটি টাকার মাদক দ্রব্য ধ্বংস করল বিজিবি নতুন নেতৃত্বে শ্যামনগর বিএনপি, আহ্বায়ক সোলাইমান কবির ও সদস্য সচিব মুন্না মালঞ্চের তীরে সবুজের প্রতিরোধ, শ্যামনগরে ম্যানগ্রোভ নবায়নের অঙ্গীকার 

কালিগঞ্জে জাইকা প্রকল্পের ভবন নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগ

রিপোর্টারঃ / ৭৬০ বার ভিজিট
আপডেটঃ বুধবার, ১১ জানুয়ারী, ২০২৩

কালিগঞ্জ (সাতক্ষীরা) থেকে:জাপান বাংলাদেশ প্রকল্পে জাইকার অর্থায়নে ও লোকাল গভারমেন্ট এলজিইডি এর সহায়তায় কালিগঞ্জ উপজেলায় ১টি কলেজ ২টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ১টি মাদ্রাসায় বয়স সন্ধি কালীন ভবন নির্মাণে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ইলিয়াস এবং সার্ভেয়ার আবুল বাশারের বিরুদ্ধে। কালিগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর পিকে এম মাধ্যমিক বিদ্যালয় বুধবার সকাল ৮ টার দিকে বিষয়টি সাংবাদিকদের নজরে আসলে দু’ঘণ্টা পর ঠিকাদার ভবনের কিছু অংশ ভেঙে ফেলে দেয়। তবে অনিয়ম দুর্নীতির বিষয়টি স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সদস্য ও প্রধান শিক্ষক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিকট জানালে তিনি উপজেলা প্রকৌশলী ও জাইকা প্রতিনিধিকে সাথে নিয়ে আজ বুধবার ঘটনাস্থলে যেয়ে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবেন বলে আশ্বস্ত করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়। সূত্র মতে (২০২২- ২৩) অর্থবছরে জাপান বাংলাদেশ প্রকল্পে উপজেলায় ৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মেয়েদের বয়সন্ধিকালীন ভবন তৈরির জন্য ২২ লক্ষ্য ৩৩ হাজার ৭৬ টাকা বরাদ্দ হয়। বরাদ্দ থেকে ৪ টি প্রতিষ্ঠানে সন্ধি কালীন ভবন তৈরির জন্য একই সিডিউল অনুযায়ী ভবন প্রতি ৫ লক্ষ ৫৮ হাজার ২৬৯ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।

প্রতিষ্ঠানগুলো হল মৌতলা শিমু রেজা এমপি কলেজ, বিষ্ণুপুর পি কে এম মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কালিগঞ্জ পাইলট মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় ও কাশিবাটি মাদ্রাসা।প্রকল্প বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ইলিয়াস হোসেন জাইকা ও এলজিডি অফিসের কাজের কথা না বলে পরস্পর যোগসাজোগে এনজিওর কাজ বলে নিজেদের ইচ্ছামতন কাজ শুরু করে। পরবর্তীতে বিষয়টি ফাঁস হওয়ায় কাজের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠায় বিপত্তি বাধে। তবে এ ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে দেখাশুনার দায়িত্বে থাকা উপজেলা প্রকৌশলী অফিসের সার্ভেয়ার আবুল বাশার এর নিকট জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিকদের জানান, নতুন উপজেলা প্রকৌশলী যোগদান করার পর হতে তাকে দেখাশুনার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে কিছু কিছু অনিমের কথা স্বীকার করে তা ভেঙ্গে ফেলার কথা জানান।
ঠিকাদার ইলিয়াস হোসেন সিডিউল অনুযায়ী কাজ করছেন বলে জানালেও তাকে সেখানে পাওয়া যায়নি।
উপজেলা জাইকা প্রতিনিধি উপজেলা পরিচালক ও উন্নয়ন প্রকল্প কর্মকর্তা আজমাইল হুসনা সাংবাদিকদের জানান, এ প্রকল্পে দুর্নীতি করার কোন সুযোগ নাই। তদন্ত করে সত্যতা মিললে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা ও বিল প্রদান করা হবে না।
add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর