• আজ- লোড হচ্ছে...
শিরোনাম:
শ্যামনগর থানার এএসআই মাসুদকে টাকা দিলেই পক্ষে নেওয়া যায় তদন্ত প্রতিবেদন  সুন্দরবনে ডন বাহিনীর ত্রাসের অবসান, বাহিনী প্রধানসহ ১২জন ডাকাতের আত্মসমর্পণ কোষ্টগার্ডের কাছে নতি স্বীকার,আত্মসমর্পণের পথে ডন বাহিনী শ্যামনগর সীমান্তে র‌্যাবের অভিযান, ৬০ বোতল কোরেক্সসহ ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ আটক ১ জাতীয় স্বর্ণ পদক লাভ করায় এ্যাকুয়াম্যাক্স-এর এমডি শহীদুল ইসলাম জুয়েলকে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা শ্যামনগর থানার নবাগত ওসির সাথে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় লিডার্স এর স্থানীয় অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‎ শ্যামনগরে কুড়িয়ে পাওয়া শাকের মেলায় অচাষকৃত উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্যোগ শ্যামনগরে কৃষকের পাওয়ার ট্রিলার পুকুরে ফেলে ক্ষতি সাধন শ্যামনগরের কৈখালী ভূমি অফিসের জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে দাপ্তরিক কার্যক্রম

কর্তৃপক্ষের দায়সারা বক্তব্য:পর্ব:-১: 

রিপোর্টারঃ / ৭৫৬ বার ভিজিট
আপডেটঃ শুক্রবার, ৭ এপ্রিল, ২০২৩

আমরা কাউকে গাছ কাটতে বলিনি, যদি কেউ গাছ কাটে আমরা কি করতে পারি? পাউবো কর্মকর্তা।

বেড়িবাঁধ সংস্কারের নামে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে সাবাড়।

জি এম মাছুম বিল্লাহ শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি: বেড়িবাঁধ সংস্কারের নামে সামাজিক বনায়নের গাছ কেটে সাবাড় দিচ্ছে ঠিকাদার কর্তৃপক্ষ। উপকূলীয় বাঁধ রক্ষার জন্য সামাজিক ভাবে বনায়ন তৈরি করা হলেও সেই বনায়ন ধ্বংস করেই বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ হচ্ছে। প্রতিদিন হাজার হাজার গাছ নির্বিচারে ধংস করা হচ্ছে অথচ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা চোখে কালো চশমা দিয়ে বসে আছেন। এভাবে জড় পদার্থের মত বসে থাকার কারণ হিসেবে দেখা গেছে প্রতিটা কাজের সাথে কর্মকর্তা অথবা কর্মচারীরা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট। প্রত্যেকেই ঠিকাদার বা সাব ঠিকাদারের কাছ থেকে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে থাকে। যে কারণে তাদের শত অপকর্মেও বাধা দিতে পারেন না ঐ সমস্ত কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। উপজেলার কোথাও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কোন প্রকার জোরালো ভূমিকা নেই। অথচ চোখের সামনে দখল হয়ে যাচ্ছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের হাজার হাজার বিঘা সম্পত্তি, নষ্ট হচ্ছে শত কোটি টাকার সম্পদ। পানি উন্নয়ন বোর্ড বিরোধী কোন কর্মকান্ড চোখে পড়লে সেটি যদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হয় তাহলে কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয় না এমন অনেক অভিযোগ আছে বলে জানান ভুক্তভোগীরা। তাদের কাছে একাধিক বার জানানোর পরও কাজ হচ্ছে না বরং তার বিপরীতটাই হয়ে থাকে। সম্প্রতি শ্যামনগর উপজেলার মুন্সীগঞ্জের পূর্বকালিনগরে ১৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে ৪৪৮ মিটার বেড়িবাঁধ সংস্কারের কাজ শুরু হয়েছে। কাজটির মূল ঠিকাদার যশোরের মুহিত উদ্দিন হলেও সাব ঠিকাদার হিসাবে কাজ করছেন আশাশুনি উপজেলা মইনুল ইসলাম। তবে বর্তমানে সাব ঠিকাদারও সেখানে কাজ করছেন না। গাবুরা ইউনিয়নের আবু সাইদ নামে এক ব্যক্তির তত্ত্বাবধানে চলছে কাজটি। ওয়ার্ক অর্ডার অনুযায়ী ঝুড়ি কোদালে কাজ করার কথা থাকলেও অধিক লাভের আশায় স্কেভেটর ব্যবহার করে গাছ নিধন করছেন ঠিকাদার কর্তৃপক্ষ। নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে হাজার হাজার গাছ ধ্বংস করে স্কেভেটরের মাধ্যমে রাস্তা সংস্কারের কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। সরজমিনে দেখা যায়, স্কেভেটর মেশিন চালানোর ফলে নির্বিচারে সামাজিক বনায়নের হাজার হাজার গাছ কেটে সারাড় করা হচ্ছে। বেড়িবাঁধ সংস্কারের নামে হাজার হাজার গাছ নির্বিচারে ধংস করে হচ্ছে এবিষয়ে উপজেলা সামাজিক বন কর্মকর্তা সহিদুর রহমান এর কাছে জানতে চাইলে তিনি কোন উত্তর দিতে পারেন নি। সামাজিক বন বিভাগের হাজার হাজার গাছ কর্তন হচ্ছে উনি বিষয়টা নাকি জানেন না। এমনকি কোন এলাকায় এমন কাজ হচ্ছে সেটা সম্পর্কে কোন ধারনাই নেই। সাংবাদিকদের মাধ্যমেই তিনি সর্বপ্রথম জানলেন। সর্বশেষ সামাজিক বন কর্মকর্তা একই সুরে বললেন আমি লিখে নিচ্ছি ব্যবস্থা করা হবে।সচেতন মহলের দাবি বেড়িবাঁধ নির্মাণে সরকারি অর্থ সঠিকভাবে বন্টন হচ্ছে না। প্রভাবশালী ঠিকাদাররা প্রথমে কাজটি লিখে নিচ্ছেন। পরবর্তীতে নির্দিষ্ট লাভের বিনিময় সাব ঠিকাদারের কাছে বুঝিয়ে দিচ্ছেন। সাব ঠিকাদার স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডকে ম্যানেজ করে কোনরকম জোড়া তালি দিয়ে কাজটি সম্পন্ন করছেন।

 

 

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর