• আজ- শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর অতর্কিত হামলা বনবিভাগের নিরব সহযোগিতায় পাচার হচ্ছে শামুক, হুমকিতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র  কিভাবে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড জলাভূমি সুরক্ষায় উপকূলবাসীর অঙ্গীকার শীর্ষক র‌্যালি ও আলোচনা শ্যামনগরে বাড়ীর পথ নিয়ে দু’পক্ষের মারামারিতে নিহত ১ আটক ৯ শ্যামনগরে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী ও দোয়া অনুষ্ঠান   শ্যামনগরে ৩ হাজার কম্বল ও ১শ’ শিক্ষার্থীর মধ্যে স্কুলব্যাগ বিতরণ দুর্নীতি ও অনিয়ম ঢাকতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা জিডি করলেন ফরেষ্ট রেঞ্জার ফজলুল হক আলিফ আতঙ্কে অস্থির সুন্দরবন ও দুবলার জেলেরা

কিভাবে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড

রিপোর্টারঃ / ২২৯ বার ভিজিট
আপডেটঃ শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ  বাংলাদেশে নতুন সরকারের সামাজিক সুরক্ষা উদ্যোগ হিসেবে আলোচনায় এসেছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। অর্থনৈতিক চাপ, মূল্যস্ফীতি ও কর্মসংস্থানের অনিশ্চয়তার প্রেক্ষাপটে দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য এটি বড় সহায়তা হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরকারি সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। এই অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে, যা নারীর আর্থিক সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে বলে মনে করছেন নীতিনির্ধারকেরা।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে জানানো হয়েছে, বিদ্যমান সামাজিক ভাতার তুলনায় এই কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হবে। প্রাথমিকভাবে দেশের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করে দ্রুত পাইলট কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি চলছে।
কর্মসূচির মূল লক্ষ্য একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করা, যেখানে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ থাকবে। এই তথ্যের মাধ্যমে নিয়মিত ভাতা বা খাদ্য সহায়তা বিতরণ করা হবে, যাতে অনিয়ম ও মধ্যস্থতা কমে।
আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি। পরিকল্পনা অনুযায়ী, প্রথমে একটি উপকমিটি ভাতার পরিমাণ ও নীতিমালার চূড়ান্ত রূপরেখা দেবে। এরপর পাইলট প্রকল্প চালু করে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করা হবে।
পরবর্তীতে প্রকল্পটি ধাপে ধাপে সব উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডে সম্প্রসারণ করা হবে। তখন ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে আবেদন ফর্ম পাওয়া যাবে। পাশাপাশি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও রয়েছে, যাতে ঘরে বসেই আবেদন করা যায়।
সরকারি সূত্র জানিয়েছে, আবেদন করতে জাতীয় পরিচয়পত্র, পাসপোর্ট সাইজ ছবি এবং সচল মোবাইল নম্বর প্রয়োজন হবে। প্রতি পরিবারে একটি কার্ড দেওয়া হবে এবং এর মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সুবিধা দেওয়া হতে পারে।
নতুন এই কর্মসূচি রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে ইতিমধ্যে আলোচনা তৈরি করেছে। কত দ্রুত এটি বাস্তবায়িত হয় এবং বাস্তবে কতটা কার্যকর হয়, তা এখন দেখার বিষয়।
সূত্রঃ জনকণ্ঠ

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর