• আজ- বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ০২:০৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ যুবদল নেতার নেতৃত্বে প্রেসক্লাবে ঢুকে সভাপতির উপর অতর্কিত হামলা বনবিভাগের নিরব সহযোগিতায় পাচার হচ্ছে শামুক, হুমকিতে সুন্দরবনের জীববৈচিত্র  কিভাবে মিলবে ফ্যামিলি কার্ড জলাভূমি সুরক্ষায় উপকূলবাসীর অঙ্গীকার শীর্ষক র‌্যালি ও আলোচনা শ্যামনগরে বাড়ীর পথ নিয়ে দু’পক্ষের মারামারিতে নিহত ১ আটক ৯ শ্যামনগরে হাদি হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ কর্মসূচী ও দোয়া অনুষ্ঠান   শ্যামনগরে ৩ হাজার কম্বল ও ১শ’ শিক্ষার্থীর মধ্যে স্কুলব্যাগ বিতরণ দুর্নীতি ও অনিয়ম ঢাকতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মিথ্যা জিডি করলেন ফরেষ্ট রেঞ্জার ফজলুল হক আলিফ আতঙ্কে অস্থির সুন্দরবন ও দুবলার জেলেরা

প্রজনন মৌসুমে অবাধে চলছে কাঁকড়া শিকার ও ক্রয়-বিক্রয়,নিরব ভূমিকায় প্রশাসন।

রিপোর্টারঃ / ৭৮৩ বার ভিজিট
আপডেটঃ সোমবার, ১৬ জানুয়ারি, ২০২৩

বুড়িগোয়ালিনী (শ্যামনগর) প্রতিনিধি : সুন্দরবন সংলগ্ন শ্যামগর উপজেলার বিভিন্ন বাজারে সরকারি বন্ধের মধ্যে অবাধে বিক্রি হচ্ছে কাঁকড়া। প্রজনন মৌসুমে সুন্দরবনের নদ-নদী থেকে অবাধে কাঁকড়া ধরা হচ্ছে। জানুয়ারি ও ফেব্রুয়ারি এই দুই মাস কাঁকড়ার প্রজনন মৌসুমে সব ধরনের কাঁকড়া ধরা ও সংগ্রহ নিষিদ্ধ থাকলেও সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্র স্থানীয় বাজারগুলোতে।উপজেলার গাবুরা,ডুমুরিয়া, চাঁদনীমূখা,কলবাড়ী, হরিনগর,মীরগাং, সুন্দরবন বাজার, বুড়িগোয়ালিনী, নওয়াবেঁকী, ভেটখালীসহ বিভিন্ন বাজারে প্রকাশ্য বিক্রয় হচ্ছে শত শত মন অবৈধ কাঁকড়া। ক্রয় কৃত অবৈধ কাঁকড়া গুলো ট্রাকযোগে প্রতিদিন সন্ধ্যায় রপ্তানির উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছে পারুলিয়ায়। শুধু তাই নয় পার্শ্ববর্তী উপজেলার কাঁকড়াও গভীর রাতে ট্রলার যোগে পৌঁছে যাচ্ছে বিভিন্ন কাঁকড়ার হ্যাচারিগুলোতে। প্রশাসনের নাকের ডগায় প্রতিদিন প্রকাশ্যে বাজার গুলোতে কাঁকড়া ক্রয়-বিক্রয় ও পরিবহন করা হচ্ছে অথচ নিষেধাজ্ঞার ১৫দিন পেরিয়ে গেলেও কোন অভিযান পরিচালিত না হওয়ার রহস্য কি জানতে চায় সচেতন মহল।কি কারনে অভিযান পরিচালিত হচ্ছে না, এই প্রশ্ন সাধারণ মানুষের মাঝেও ঘুরপাক খাচ্ছে।বিশস্ত সূত্রে জানা যায় এবছর প্রশাসনকে ম্যানেজ করতে মোট টাকা নিয়ে মাঠে নেমেছে কাঁকড়া ব্যবসায়ীরা। ইতিমধ্যে সেই টাকা বিভিন্ন দপ্তরেও পৌঁছে গেছে বলে জানান একাধিক বিশ্বস্ত সূত্র। উপজেলার কাঁকড়া ডিপো মালিকদের বক্তব্য সুন্দরবনে কাঁকড়া ধরার বন্ধ কিন্তু হ্যাচারির কাঁকড়া ধরা ও বিক্রি নিষেধ না।শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) নূরুল ইসলাম বাদল বলেন,এই ব্যাপারে থানা পুলিশ কোন পদক্ষেপ নিতে পারে না তবে মৎস্য কর্মকর্তা যদি পুলিশের সহযোগিতা চায় তাহলে অবশ্যই দেওয়া হবে।শ্যামনগর থানা সবসময় সকল ধরনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে।শ্যামনগর উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা তুষার কান্তি মজুমদার বলেন,এটা মৎস্য আইনের মধ্যে পড়ে না, এবিষয়ে মৎস্য বিভাগ আইন প্রয়োগ করতে পারে না। প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া জব্দ করতে পারে বনবিভাগ।পশ্চিম সুন্দরবন সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক এম কে এম ইকবাল হোছাইন চৌধুরী বলেন, সুন্দরবনের ভিতরে বনবিভাগের অভিযান অব্যাহত আছে।প্রজনন মৌসুমে কাঁকড়া ধরার অপরাধে বেশ কয়েকটি মামলা দেওয়া হয়েছে। তারপরও সঠিক তথ্য দিলে আমরা অভিযান পরিচালনা করবো।

এভাবে যদি প্রজনন মৌসুমে অবাধে কাঁকড়া নিধন হয় তাহলে ভবিষ্যতে সুন্দরবন থেকে হারিয়ে যাবে কাঁকড়া শিল্প এমনটাই ধারণা করছেন বিশেষজ্ঞরা।
add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর