• আজ- সোমবার, ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
শিরোনাম:
শ্যামনগর সীমান্তে র‌্যাবের অভিযান, ৬০ বোতল কোরেক্সসহ ভারতীয় প্রসাধনী সামগ্রী জব্দ আটক ১ জাতীয় স্বর্ণ পদক লাভ করায় এ্যাকুয়াম্যাক্স-এর এমডি শহীদুল ইসলাম জুয়েলকে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সংবর্ধনা শ্যামনগর থানার নবাগত ওসির সাথে সুন্দরবন প্রেসক্লাবের সাংবাদিকদের মতবিনিময় জলবায়ু ঝুঁকি মোকাবেলায় লিডার্স এর স্থানীয় অভিযোজন পরিকল্পনা প্রণয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত ‎ শ্যামনগরে কুড়িয়ে পাওয়া শাকের মেলায় অচাষকৃত উদ্ভিদ বৈচিত্র্য সংরক্ষণের উদ্যোগ শ্যামনগরে কৃষকের পাওয়ার ট্রিলার পুকুরে ফেলে ক্ষতি সাধন শ্যামনগরের কৈখালী ভূমি অফিসের জরাজীর্ণ ভবনেই চলছে দাপ্তরিক কার্যক্রম সুন্দরবন প্রেসক্লাবে কর্মরত সাংবাদিকদের সাথে কালিগঞ্জ মালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের মতবিনিময় সভা সুন্দরবন উপকূলের ৩১ বাঘ বিধবা পরিবার পেল ২টি করে ছাগল শতভাগ অকৃতকার্য বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বললেন শিক্ষকদের কোন দায়বদ্ধতা নেই

শ্যামনগরে মৎস্য অফিসের অভিযান, পুড়িয়ে ধ্বংস ৩২টি চায়না দুয়ারি জাল

রিপোর্টারঃ / ১৪৮ বার ভিজিট
আপডেটঃ মঙ্গলবার, ৪ আগস্ট, ২০২৬

নিজস্ব প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার ঈশ্বরীপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বিল ও খালে অভিযান চালিয়ে ৩২টি নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল জব্দ করেছে উপজেলা মৎস্য অফিস। পরে জব্দ করা জালগুলো জনসম্মুখে আগুনে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।

মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে ধূমঘাট শিলতলা বিল, মঠেরচক বিল ও সংলগ্ন খালে এ অভিযান পরিচালনা করে শ্যামনগর উপজেলা মৎস্য অফিস।

উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ তৌহিদ হাসানের নির্দেশনায় অভিযানে নেতৃত্ব দেন মৎস্য অফিসের ফিল্ড অ্যাসিস্ট্যান্ট মো. মুজিবুর রহমান, বিশ্বজিৎ মণ্ডল ও সুকুমার।

এ সময় স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম্য পুলিশ, গ্রীন কোয়ালিশন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য এবং স্থানীয় গ্রামবাসী অভিযানে সহযোগিতা করেন।

জনসম্মুখে পোড়ানো হলো জাল
অভিযান শেষে জব্দকৃত জালগুলো ধূমঘাট আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনে এনে পরিবেশ ও দেশীয় মাছের প্রজনন সংরক্ষণের স্বার্থে আগুনে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়।শ্যামনগর উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. তৌহিদ হাসান বলেন, “চায়না দুয়ারি জাল সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এ ধরনের জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও জলজ জীববৈচিত্র্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। শ্যামনগরের সব এলাকায় এ ধরনের নিষিদ্ধ জালের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।

অভিযানে সন্তোষ জানিয়েছেন স্থানীয়রা। ঈশ্বরীপুরের বাসিন্দা মিতা রানী বলেন, “আমাদের এলাকায় এই উদ্যোগটি খুবই প্রয়োজন ছিল। প্রজননের সময় এই জলদানব চায়না দুয়ারি জাল অপসারণ করায় আমরা অত্যন্ত খুশি। এমন অভিযান নিয়মিত পরিচালনা করা হলে খাল-বিলে দেশীয় মাছের সংখ্যা আবারও বাড়বে বলে আমরা আশা করি।

স্থানীয়দের মতে, দীর্ঘদিন ধরে চায়না দুয়ারি জালের অবাধ ব্যবহারের কারণে জলাশয়ের ছোট-বড় সব ধরনের মাছ, পোনা ও অন্যান্য জলজ প্রাণী হুমকির মুখে ছিল। উপজেলা মৎস্য অফিসের এ ধরনের অভিযান দেশীয় মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে তারা মনে করেন।

add 1


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরো খবর